মাদ্রিদ শহরের ছন্দে (Gran Via, Madrid)

রেস্তোরাঁর ভিড়, নাইট ক্লাবে তালে তালে নাচের ছন্দ, আলো আঁধার, ওয়াইনের মৃদু গন্ধ নাকি এই শহরের রাত জীবনে মাদকতা ছড়ায়। মাদ্রিদে আসা মানেই, নাকি অনেক রাত পর্যন্ত এই শহরের রাতের জীবনকে উপভোগ করা। ইউরোপের কোন শহর এতো রাত পর্যন্ত জেগে থেকে না – এমনকি প্যারিসও মাঝ রাতে একটা সময়ের পর স্তিমিত হয়ে যায়, কিন্তু স্পেনের রাজধানী শহরটি ইউরোপিয়ানদের কাছে এর প্রাণবন্ত, জীবন্ত রাতের জন্যেই পরিচিত। নাইট ক্লাব, পাব কালচার এই শহরের প্রান। তাই, রাতে হলুদ আলো জ্বলা পুরনো দিনের গলি পথে হোটেলে পৌঁছতে পৌঁছতে চড়া সুরের মিউজিক কানে আসে।

মাদ্রিদে এসে প্রথমেই যেখানে দরকারে কিংবা অদরকারে পা রাখতে হয়, সে হল Gran Vía মানে Great Way । এখানেই আমাদের টুরিস্ট ইনফরমেশনের খোঁজে আসতে হয়। মাদ্রিদের সবচেয়ে ব্যস্ততম রাস্তা এই Gran Vía । বিশাল এই রাজপথ নাকি কখনোই ঘুমোয় না। রাস্তার দু’ পাশে বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকের তৈরি বিশাল স্থাপত্য গুলো এখন পৃথিবীর সমস্ত নামী ব্র্যান্ডের শো রুম। স্থাপত্যের সঙ্গে সঙ্গে এরাও এই শহরের শোভা বাড়ায়।

এখানে মানুষ ব্যস্ত শুধু শপিং নিয়ে – তাই এদের চলার ছন্দে কাজের তাড়া দেখি না। চওড়া ফুটপাতে প্রচুর স্থানীয় মানুষের ভিড়ে, প্রচুর টুরিস্ট, প্রচুর লোকের এলোমেলো পদক্ষেপে, পথ চলতে চলতে ব্র্যান্ডের শোরুমের জানালায় সাজানো কোন এক জিনিস দেখে থমকে দাঁড়িয়ে দেখার মধ্যে – যেন এক ছুটির আমেজ, প্রচুর অবকাশের ছাপ। অবশ্য এখানে সামার মানেই – ছুটির দিন, শপিং, হাসি আনন্দে গা ভাসিয়ে দেওয়ার দিন। জীবনের ছুটির মুহূর্ত গুলোকে আঁজলা ভরে ভরে পান করে নেওয়ার দিন, উপভোগের দিন।

যেখানে রাত জীবনের খোঁজে সারা ইউরোপের মানুষ পাড়ি জমায়, রাত যেখানে এতো মদির – সেখানে সুরক্ষা ব্যবস্থার জন্যে দেখি পুলিশ সদা পাহারায়। ব্যস্ত শহরের গলির মোড়ে মোড়ে ঘোড়ায় চড়া পুলিশের টহল অনেক টুরিস্টদের নজর কেড়ে নেয়, পুলিশ ধরা দেয় হাজার টুরিস্টের ক্যামেরায়। তাছাড়া, এই শহর কেন্দ্রের প্রতিটি গলির মোড়, স্কোয়ার সর্বদা পুলিশের ভিডিও ক্যামেরার আওতায়।

ব্যস্ততম এই শহরের কেন্দ্রে টুরিস্ট ইনফরমেশন অফিস। টুরিস্ট অফিসে এক ভদ্র মহিলা হাসি মুখে ম্যাপ ও ইনফরমেশনের যোগান দিচ্ছেন। আমরা গিয়ে ম্যাপ চাইতে জানতে চাইলেন – কোথা থেকে এসেছি। ইন্ডিয়া শুনে নিজের সামনে রাখা এক খাতায় লিখে রাখলেন। হেসে বললেন – আজকাল ইন্ডিয়া থেকে প্রচুর টুরিস্ট আসছে স্পেনে। স্বাগতম।

ম্যাপ নিয়ে মাদ্রিদের ভিড়ের একজন হয়ে মিশে গেলাম এক অচেনা জনস্রোতে। ম্যাপে আঁকা পথ ধরে এই শহরের ভিড়ের ছন্দে পা ফেলে দেখে নিতে চাই এদের ইতিহাসের চিহ্ন। যেটুকু সময় এই শহরে আছি, দেখে নিতে চাই এই শহরের মানুষের বেঁচে থাকার ছন্দ। ম্যাপ দেখে দেখে বুঝে নিতে চাই এই স্প্যানিশ শহরের গলি ঘুঁজির ঘোরপ্যাঁচ।

Posted in Europe, Spain, Travel | Tagged , , , , , , , , , , , | 1 Comment

পথের গল্প – দুই (Saint-Ferréol, France)

ইউরোপে হিচ হাইকিং নিয়ে নানা রকমের ভয়ানক গল্প প্রচলিত আছে। অনেক সময় হিচ হাইকিং করে ডাকাতি কিংবা খুন হয়। হয়তো দু’ জন শান্ত চেহারার লোক গাড়িতে উঠে পিস্তল দেখিয়ে গাড়িটাই নিয়ে নিল কিংবা ডাকাতের গাড়িতেই দু’জন ভালো মানুষ হিচ হাইকারের সর্বস্ব লুট হয়ে গেল। অথবা, যে কোন পক্ষের খুনও হতে পারে।

হাই ওয়ে দিয়ে গাড়ি চালাতে চালাতে কোন এক সাইকোপ্যাথ সিরিয়াল কিলারকে ভুল করে লিফট দিয়ে বিপদে পড়ার ঘটনা নিয়ে তো সিনেমাও হয়েছে। তাই, চট করে হিচ হাইকারদের কেউ লিফট দিতে চায় না। তবুও তো ইউরোপে হিচ হাইকিং বেআইনি নয়, আমেরিকার কোথাও কোথাও শুনেছি হিচ হাইকিং রীতিমত বেআইনি। আবার নেদারল্যান্ডে তো হিচ হাইকারদের জন্যে স্ট্যান্ড করে দেওয়া আছে, যেখান থেকে হিচ হাইকিং এর লিফট পেতে সুবিধা হবে।

যাইহোক, আশা রাখি সুহৃদয় কেউ নিশ্চয়ই আমাদের মতো ভালোমানুষ গোছের মানুষকে রাভেল পর্যন্ত লিফট দেবে। শেষ পর্যন্ত এক ভদ্রলোক আমাদের একদম সামনেই গাড়ি থামালেন। জিজ্ঞেস করলেন – ইন্ডিয়ান? কোথায় যেতে চাও? বললাম – হ্যাঁ। তুলুস।

আমি তো ঐ দিকে যাচ্ছি না, তোমাদের রাভেলে নিয়ে তুলুস যাওয়ার রাস্তায় ছেড়ে দেব, সেখানে বুড়ো আঙ্গুল ব্যবহার করে চলে যেতে পারো তুলুসে –সপ্রতিভ মধ্যবয়স্ক ফ্রেঞ্চ ভদ্রলোকটি হেসে বললেন।

তাই সই – চট করে চেপে পড়লাম।

ভদ্রলোক পরিবারের সঙ্গে ব্ল্যাক মাউন্টেনের জঙ্গলে একমাসের জন্যে ক্যাম্পিং করছেন। রাভেল চলেছেন বাজার করে আনতে, বললেন – আশেপাশে তো কিছুই পাওয়া যায় না।

গাড়ির স্টিয়ারিঙে রাখা ওনার ডান হাতে দেখি ‘ওঁ’ চিহ্নের উল্কি আঁকা। জিজ্ঞেস করলাম – এই চিহ্ন কি করে আঁকলেন আপনার হাতে?

রাস্তার দিকে চোখ রেখে উত্তর দিলেন সপ্রতিভ ভদ্রলোক – আগের বছর সামারে রাজস্থান গিয়েছিলাম সপরিবারে। সেই সময়েই এই ট্যাটু এঁকেছি।

ভারতবর্ষ নিয়ে এ কথা সে কথা বলতে বলতে রাভেল পৌঁছে গেলাম। রাভেলে তুলুস যাওয়ার রাস্তায় ছেড়ে দিয়ে – অফ্‌ বা, বলে চলে গেলেন ভদ্রলোক।

আবার একের পর এক গাড়িকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে চলেছি। কেউ কেউ তো আমাদের সামনেই অন্য রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে হেসে হাতের ইশারা দিয়ে দেখাচ্ছে, যেন এই রাস্তায় গেলে আমাদের লিফট দিত। যখন লিফট পাওয়ার আশা একদম নিরাশায় বদলে গিয়ে রাভেলে হোটেল খোঁজার দিকে পা বাড়াচ্ছি, ক্যাঁ…চ শব্দ করে আমাদের থেকে বেশ কয়েক হাত দূরে বিশাল এক ভ্যান থামল। অল্প বয়সী স্বামী স্ত্রী সামনের সীটে বসে, গাড়ির জানালা দিয়ে মুখ বাড়িয়ে জিজ্ঞেস করল – কোথায় যাবে?

বললাম – তুলুস।

স্ত্রী হেসে মাথা নেড়ে – ‘উঁহু আমরা তো ঐ দিকে যাচ্ছি না। তবে… ’ বলতে বলতে গাড়ির সামনে রাখা মোটা ম্যাপের বই খুলে দেখাল, ম্যাপে হাত রেখে বলল – এখন আমরা এখানে, এই রাস্তা ধরে আমরা কাস্তালনেদাড়ির পাশ দিয়ে বেরিয়ে যাব অন্য দিকে, তুলুস তো আমাদের রাস্তার অন্য দিকে। এই অঞ্চলের একটু বড় শহর কাস্তালনেদারি।

বিপদে পড়লে অনেক সময় বুদ্ধির ছিপি চট করে খুলে যায়। তাড়াতাড়ি করে বললাম – আচ্ছা ওখানে তো ট্রেন ষ্টেশন আছে?

স্টিয়ারিঙে বসা ভদ্রলোক বলল – হ্যাঁ। ম্যাপে তো দেখাচ্ছে।

ঠিক আছে, আমাদের কাস্তালনেদারি ট্রেন ষ্টেশনের সামনেই ছেড়ে দিন। ট্রেনে ফিরে যেতে পারবো তুলুস।

গাড়িতে বসে যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম। প্রচণ্ড তেষ্টায় ছাতি ফেটে যাচ্ছিল। গাড়ির ভেতরে রাখা বোতলের গরম জলেই তেষ্টা মিটিয়ে নিয়ে একটু আলাপচারিতা শুরু করলাম।

সামারে ওরা গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে পড়ে ইউরোপের নানা দিকে। এবার ওরা স্পেন আর ফ্রান্সের নানান জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছে। বলল – আমরা আসলে গাড়িতে করেই ফ্রান্সের বহু গ্রাম শহরে ঘুরে বেড়াচ্ছি। ফ্রান্স স্পেনের নানান জায়গায় গিয়ে স্থানীয় বাজারে কাপড় বিক্রির ব্যবসা আমাদের।

ছুটন্ত গাড়ির দু’পাশে সরে যাচ্ছে দক্ষিণ ফ্রান্সের অপরূপ প্রকৃতির সৌন্দর্য। দক্ষিন ফ্রান্সে এই সময়ে রাস্তার দু’পাশের দিগন্ত বিস্তৃত মাঠে সূর্য মুখী ফুল ফোটে। ঝলমলে দিনে নীল আকাশের নীচে সেই অপূর্ব হলুদ চাদর যে কি অপূর্ব ছবি তৈরি করে নিজের চোখে না দেখলে যেন বিশ্বাসই হতো না।

নীল সন্ধ্যার মুখে কাস্তালনেদারি রেলষ্টেশনের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়ে হাসি মুখে হাত নেড়ে চলে গেল দম্পতিরা। অবশ্য বার বার বলছিল – তোমাদের আমরা তুলুস যাওয়ার রাস্তায় নামিয়ে দিলে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে আবার লিফট পেতে পারো।

কিন্তু, রাতের গাঢ় অন্ধকার হতে আর দেরি নেই। বিদেশ বিভূঁইয়ে আর ঝামেলা বাড়িয়ে লাভ নেই। ষ্টেশনে পরের ট্রেনের জন্যে অপেক্ষা করাই ভালো।

কতো অল্প সময়ের পথের এই আলাপ, হয়তো দ্বিতীয় বার ভিড়ের মাঝে দেখলে আর চিনতেও পারবো না, কিন্তু আমার জীবনে সেই অচেনা বিদেশী মানুষগুলোর অবদান এক বিন্দু হলেও রয়ে গেল। মনে হয়, সেই মানুষ গুলোর নিঃস্বার্থ সাহায্য, সহযোগিতা পেয়ে আমার প্রবাসী জীবন যেন অনেক সরল হয়েছে। আমার জীবন স্মৃতির কোন এক পাতায় সেই বিদেশী, অচেনা, ঝাপসা কিছু সুখী মানুষের হাসি মুখের ছবি আঁকা হয়ে যায়। এই পৃথিবীর বুকে অপূর্ব প্রকৃতির কোলে সেই সুখী সংবেদনশীল মানুষদের কথা মনে এলে ভালোই লাগে।

Posted in Europe, France, Travel | Tagged , , , , , , , , | 3 Comments

পথের গল্প – এক (Saint-Ferréol, France)

চোখের সামনে দিয়ে যখন দিনের শেষ বাসটি হুঁশ করে বেরিয়ে যায়, মনের অবস্থা তখন কেমন হয়! তাও যদি বিদেশ বিভূঁইয়ে জঙ্গলের মধ্যে শেষ বাসটি ছেড়ে যায় – রীতিমত আতঙ্কই হয়।

তুলুসের এক প্রান্ত ছুঁয়ে যে ক্যানাল চলে গেছে, নামটি তার ‘ক্যানাল দু মিদি’। ক্যানালের দু’পাশে সাজানো প্ল্যন গাছের সারি, তুলুসবাসির ক্লান্ত দিনের শ্রান্তির জায়গা এই ক্যানাল ধারের রাস্তা – সারা বছর ধরে ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ক্যানালের দুই ধারের সারি বাঁধা গাছ গুলোরও রঙ বদল চলে, আর এই জায়গাকে এক মায়াময় সৌন্দর্যে ভরে রাখে।

শান্ত, সবুজ, দীর্ঘ সেই ক্যানালের জলের উৎস সেন্ট ফেরল। জঙ্গলের মাঝে পাহাড়ের উপরে বিশাল এই ড্যামটি সারা বছর ক্যানাল দু মিদিতে জলের যোগান দেয়। গরমের সময়ে, পেছনে ব্ল্যাক মাউন্টেন এলাকা নিয়ে বিশাল এই জলাধারের সৈকতটি তুলুসবাসীর এক বিনোদন ভূমি। সেন্ট ফেরল ড্যামের পাশ থেকেই শুরু হয়েছে ব্ল্যাক মাউন্টেনের ঘন জঙ্গল। সামারে, গরমে অনেকেই সেখানে ক্যাম্পিং, হাইকিং করতে যায়। তবে আমাদের উদ্দ্যেশ্য ছিল সারা দিন জঙ্গলের রাস্তায় হেঁটে, জলের ধারে বসে রোদ গায়ে মেখে, এক ছোটখাটো পিকনিকের মতো করে সন্ধ্যার আগেই ফিরে আসবো তুলুসে।

কিন্তু, খুবই ভুল হয়ে গেল। যে বাস স্টপে আমাদের নামিয়ে দিয়েছিল, ফেরার সময়ে সেই বাস স্টপের উল্টো দিকে দাঁড়িয়ে ছিলাম। বাস যে সেখানে দাঁড়ায় না, একদম জানা ছিল না। চোখের সামনে দিয়ে শেষ বাসটি বেরিয়ে গেল। মাথা চাপড়ে, হাত দেখিয়েও ড্রাইভার থামল না। কি করবো এবার? এই জঙ্গলেই থাকতে হবে? কি ভাবে ফিরব? রাত নামলে এখানে কি কোন জন্তু আসে? এখানে হোটেল কোথায়? ট্যাক্সি কোথায় পাবো? রাতের দিকে আবার বেশ ঠাণ্ডা পড়ে, সঙ্গে কোন গরম জামা নেই। এক ঝাঁক প্রশ্ন আমাদের নাজেহাল করে দিল।

সন্ধ্যা আটটা বাজে। এখানে গরমের সময়ে অনেক দেরীতে আঁধার নামে। তাই আটটার সময়েও শেষ বেলার রোদ ঝলমল করছে আর জঙ্গলের পাশে কাঠের ছোট্ট গুমটি দোকান ঘরের মতো টুরিস্ট অফিসটি এখনো খোলা। দৌড়ে গিয়ে টুরিস্ট অফিসে জিজ্ঞেস করলাম – হোটেল কোথায়, কি ভাবে যাব?

টুরিস্ট অফিসের একমাত্র কর্মী, মেয়েটি পেশাদারী হেসে বলল – এই এলাকার এক মাত্র হোটেল, এখান থেকে দশ কিলোমিটার দূরে। আর রবিবারে এই  জঙ্গলে এই সময়ে এখানে কোন ট্যাক্সি পাবে না।

কি হবে এবার? রীতিমত আতঙ্কিত হয়ে গেলাম। বেড়াতে এসে এমনি পরিস্থিতির মুখোমুখি কখনোই হই নি। কি করি? একটাও দোকান পাটও নেই আশেপাশে।

ভাবতে ভাবতে বললাম – রাভেলের দিকে হাঁটতে শুরু করি। এখান থেকে হেঁটে রাভেল পৌঁছে যাব অন্ধকার নামার আগে, আর রাভেল একটু বড় জায়গা, হোটেল পেয়ে যেতে পারি। হোটেলে থেকে কাল সকালে তুলুস ফিরব।

এমনি অবস্থায় খড়কুটো যা পাই তাই আঁকড়ে ধরি। সারাদিন ঘুরে যদিও খুবই ক্লান্ত কিন্তু অচেনা জায়গায় রাতে জঙ্গলে থাকার চেয়ে রাস্তা ধরে হাঁটাই শ্রেয় বলে মনে হল। কিন্তু পা যে আর চলে না। রাভেলের দিকে একটু হেঁটেই আরও বিধ্বস্ত মনে হল। রাভেল গামী প্রচুর গাড়িকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে লিফট চাইলাম। চোখের সামনে গাড়ির স্রোত বয়ে চলেছে কেউই থামাচ্ছে না।

চলবে

Posted in Europe, France, Travel | Tagged , , , , , , , , | 2 Comments